কড়া সমালচনার মুখে গুগল, ফেসবুক ও টুইটারের শীর্ষ নির্বাহীরা

নিউজ ডেস্ক
২৯ মার্চ ২০২১, সোমবার
প্রকাশিত: ০৬:২৮

কড়া সমালচনার মুখে গুগল, ফেসবুক ও টুইটারের শীর্ষ নির্বাহীরা

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইনে ভুয়া খবর প্রচারের জন্য মার্কিন আইন প্রণেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েছে গুগল, ফেসবুক ও টুইটারের শীর্ষ নির্বাহীরা। থার্ড পার্টি দ্বারা প্রচারিত পোস্টগুলোর দায়বদ্ধতা থেকে তারা যেন মুক্তি না পায় তেমন আইন সংস্কারের কথাও তারা বলেছেন। 

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে হামলায় ট্রাম্প সমর্থকদের সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে হামলার প্রস্তুতি নেয়ার ঘটনায় এক শুনানির আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) এই শুনানিতে যোগ দেন গুগল, ফেসবুক ও টুইটারের শীর্ষ নির্বাহীরা। 

এই শুনানিতে নির্বাহীদের প্রশ্ন ছোড়েন মার্কিন কংগ্রেসের কমিউনিকেশন অ্যান্ড টেকনোলজি বিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান মাইক ডয়েল। তিনি প্রশ্ন করেন, ক্যাপিটল হিলে হামলার দায় তারা নিবেন কিনা। পাশাপাশি চিহ্নিত ১২ ব্যক্তির কোভিড ভ্যাকসিন বিরোধী পোস্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশও দেয়া হয় তাদের। 

এসময় জাকারবার্গ বলেন, ব্যবহারকারীরা এসব হিংসাত্মক কন্টেন্ট খুব কমই দেখতে পায়। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীরা নিউজ ফিডের মাত্র ৬ শতাংশ রাজনৈতিক পোস্ট দেখতে পায়।এছাড়াও হিংসাত্মক কনটেন্টগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য জাকারবার্গ তার দলের প্রচেষ্টার কথাও তুলে ধরেন এসময়। 

৮০টি ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থার সাথে ফেসবুক কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি জানান, কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ১ কোটি ২০ লাখ ভুয়া পোস্ট সরিয়ে নেয়া হয়েছে। 

গুগলের শীর্ষ নির্বাহী সুন্দর পিচাই বলেন, গত বছর মার্কিন নির্বাচনের সময় ভোটারদের ভুল তথ্য সরবরাহ বন্ধ করতে ইউটিউব যথেষ্ট সচেতন ছিল। এছাড়াও ‘ধারা-২৩০’ বিলুপ্ত হলে মুক্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়াও ভুল তথ্য প্রতিরোধে টুইটারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন টুইটারের শীর্ষ নির্বাহী জ্যাক ডরসি। 

ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে হামলার ঘটনাটি টেক জায়ান্টদের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে। হামলার পর ট্রাম্পের ফেসবুক ও টুইটার অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। 

ব্রেকিংনিউজ/পিসি 

bnbd-ads