বঙ্গবন্ধুর নাম যারা মুছতে চায় তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী: গোলাপ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৭ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৮:৫২

বঙ্গবন্ধুর নাম যারা মুছতে চায় তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী: গোলাপ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম যারা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলতে চায় তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ। তিনি বলেন, ‘ইতিহাস প্রমাণ করেছে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলা যায় না। বঙ্গবন্ধু নাম যারা মুছে ফেলার চেষ্টা করছে যারা তারাই মূল ষড়যন্ত্রকারী। আজ ঘরে ঘরে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ করে বঙ্গবন্ধু কর্মী গড়ে ওঠেছে।’

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির ‘পরিচিত সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর যে নীতি ছিলো, সেই নীতিতে সমুদ্র জয় করেছে বাংলাদেশ। পিছনের রাস্তা দিয়ে ক্ষমতার আসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে।’ কোনও অপশক্তি যেন শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা বাধগ্রস্ত করতে না পারে এজন্য আমাদের সকলকে সজাগ থাকারও আহ্বান জানান তিনি।

গোলাপ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সরকারের অধীনে চার’শ টাকার বেতনে চাকরি করেছিলো জিয়া। বিএনপি প্রায় দাবি করে জিয়ার কথায় না কি দেশ স্বাধীনতা হয়েছে। চারশ টাকার চাকরিজীবীর কথায় কিভাবে দেশ স্বাধীন হয়? জিয়া ও এরশাদ দেশের সঠিক ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিলো। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতা হয়েছে। ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ আজ ওয়ার্ল্ড হেরিটেজে জায়গা পেয়েছে।’

সুযোগ সন্ধানী নেতাদের কাছ থেকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে আব্দুস সোবহান গোলাপ বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন তাদের লাখ লাখ কর্মী ছিলো। তারা এখন কোথায়? খালেদা জিয়ার জন্য একটি আন্দোলনও তারা করতে পারেনি। কিছু লোক আছে, যাদের আর্দশ নেই।  যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলে যোগ দেয়। ত্যাগী নেতারা কখনও সুবিধা নেয়ার জন্য সংগঠন করে না। তারা সবসময় ত্যাগ স্বীকার করে, দলের জন্য কাজ করে। আর সুবিধাবাদীরা ক্ষমতাসীন দলে যোগ দেয়, সুবিধা নেয়ার জন্য।’

সাধারণ জনগণের প্রতি দলের নেতাকর্মীদের বিনয়ী আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন,  ‘নেতাকর্মীদের সহনশীল ব্যবহার করতে হবে। কেউ যেন মনে কষ্ট না পায়। যাতে করে আগামী দিনে শেখ হাসিনা আবারও ক্ষমতায় আসতে পারে। নিজেদের মধ্যে কোনও বির্তক সৃষ্টি করা যাবে না। এজন্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।’

গোলাপ বলেন, ‘২১ বছর ক্ষমতা থেকে দেশের মানুষের জন্য কিছুই করেনি বিএনপি-জাতীয় পার্টি। ২১ বছরের উন্নয়ন আর শেখ হাসিনার বর্তমান ১১ বছরের উন্নয়ন আকাশ পাতাল। শেখ হাসিনা কোনও ভোগ বিলাসের রাজনীতি করে না। বিএনপি ভোগ বিলাসে মগ্ন ছিলো বলেই দেশের উন্নয়ন করতে পারেনি।’  

আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো.সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্করের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কার্যকরী সভাপতি সাইফুল আলম মানিক, সহ-সভাপতি আবুল বাশার, আব্দুল গফুর চোকদার, মুহাম্মদ আলম, গিয়াস খান, মোহাম্মদ ইউনুস, মো. নাছির উদ্দিন মানিক, মঞ্জুর কাদের মোহান, মমতাজ খানম, নাসরিন আক্তার, সাজ্জাদুল হক লিকু সিকদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলীম, রফিকুল ইসলাম খান ও ফিরোজ আহম্মেদ তালুকদার প্রমুখ।

ব্রেকিংনিউজ/আরএইচ/এসআই

bnbd-ads