খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশ কেন? প্রশ্ন মান্নার

স্ট‌াফ ক‌রেসপ‌ন্ডেন্ট
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৩:৫৯

খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশ কেন? প্রশ্ন মান্নার

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, আমরা মিলাদ করি, কুলখানি করি, আমরা খিচুড়ি দেই আমাদের কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু এই প্রথম দেখলাম খিচুড়ি রান্না শিখতে নাকি অনেক বড় বড় আমলা বিদেশ যাবেন। এটা কোনও কথা? আমাদের কাছে খিচুড়ি রান্না শিখতে বাইরে থেকে লোক আসতে পারে। 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

মান্না বলেন, বাংলাদেশের মানুষ খিচুড়ি খেতে জানে না? খিচুড়ি রান্না করতে জানে না? খিচুড়ি প্যাকেট করতে জানে না? বিতরণ করতে জানে না? আমরা মিলাদ করি, কুলখানি করি, আমরা খিচুড়ি দেই আমাদের কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু এই প্রথম দেখলাম খিচুড়ি রান্না শিখতে নাকি অনেক বড় বড় আমলা বিদেশ যাবেন। এটা কোনও কথা? এরপর বলা হল যে খিচুড়ি রান্না নয়, কিভাবে প্যাকেট করে, কিভাবে বিতরণ করে সেটা দেখতে যেতে চায়। এখানে যেকোনো একটা হোটেলের মেসিয়ারকে বললেই দেখিয়ে দিবে কিভাবে প্যাকেট করতে হয়। এখন পর্যন্ত আমরা জানি না খিচুড়ির জন্য কোন কোন দেশে পাঠানো হবে। সচিব এসে বললেন তারা কী করতে চান , মানুষ বিশ্বাস করেনি। যাদের গায়ে জোর আছে, যাদের কাছে অস্ত্র আছে তাদেরকে রক্ষা করার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন,  এই সরকার সব সময় বলে যে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে। কিন্তু এখন বুঝা গেছে যে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী না। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার নিগৃহীত ও অবেহেলিত হয়েছে তাদের দ্বারা। মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জেলখানায় মারা গেছে। মুক্তিযুদ্ধে একজন বড় কমান্ডার ডা. জাফরুল্লাহ, উনি করোনার টেস্টের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন, যেহেতু সরকারকে সমর্থন করেন না, এই জন্য এই কিট কাজেই লাগাতে দেওয়া হয়নি। 

তিনি আরও বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় আছে, এরা তো ক্ষমতায় থাকার কথা না। মানুষ এদের চায় না, কোনও ভোট হয়নি। ৩০ ডিসেম্বরের ভোট আগের রাতে ডাকাতি করে নিয়ে গেছে। তার মানে এদের কাছে একটাই লক্ষ্য সেটা হলো ক্ষমতা। ক্ষমতায় থাকবে বলে, পুলিশসহ প্রশাসনের লোকদের যথেষ্ট সুবিধা দিয়ে যাচ্ছে। 

মান্না বলেন, গতবার যখন পেঁয়াজ বন্ধ করা হয়েছিল তখন বাজারে হুলুস্থুল লেগে গিয়েছিল। সবাই পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। আমি ধন্যবাদ দিতে চাই মানুষকে, এবার মানুষ ওরকম করে যাচ্ছে না, দাম বেড়েছে। গতবার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, এবার এতো বাড়ে নাই। 

মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএন‌পির যুগ্ন মহাস‌চিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়া‌জ্জেম হো‌সেন আলাল, শিরিন সুলতানা, সাদেক খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি নুরুল হক নুর, কৃষক দ‌লের সদস‌্য লায়ন মিয়া মো. আ‌নোয়ার, কে এম র‌কিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

ব্রেকিংনিউজ/এএইচএস/এমএইচ

bnbd-ads