এসআই আকবর কোথায়?

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২০ অক্টোবর ২০২০, মঙ্গলবার
প্রকাশিত: ০৪:৩৭ আপডেট: ০৪:৩৮

এসআই আকবর কোথায়?

সিলেটের বন্দর বাজার বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান উদ্দিন নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। ঘটনার পর থেকে বরখাস্ত হওয়া কনস্টেবল টিটু দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অন্যদের মধ্যে চার পুলিশ কনস্টেবকে রাখা হয়েছে পুলিশি পাহারায়। ঘটনার মূলহোতা আত্মগোপনে থাকা এসআই আকবরকে ধরতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এদিকে ঘটনার মূল হোতা এসআই আকবরসহ জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল রয়েছে সিলেট। রায়হানের পরিবারকে সমবেদনা জানাতে সিলেট গেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন। নিহতের পরিবারকে সমবেদনা জানানোর সময় তিনি বলেন, অপরাধী যত ক্ষতাবান হোক না কেন তাকে শাস্তি পেতে হবে। এসআই আকবর যেখানেই থাকুক প্রশাসন তাকে আইনের আওতায় আনবে।

তবে ইতোমধ্যে এসআই আকবর গ্রেফতার হওয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা গুঞ্জন’ ছড়িয়ে পড়েছে। কোন কোন সংবাদ মাধ্যম এসআই আকবর গ্রেফতার শিরোনামে খবর প্রকাশ করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে তাকে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি।

পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার ব্রেকিংনিউজকে বলেন, কনস্টেবল টিটু দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসআই আকবর হোসেনকে এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। তবে তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

রায়হান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই সিলেটের পুলিশ পরিদর্শক মুহিদুল ইসলাম জানান, এসআই আকবর গ্রেফতারের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। আসামি আটক হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে বিষয়টি জানার কথা ছিলো।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ জানান, রবিবার (১১ অক্টোবর) বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের নির্যাতনে আখালিয়া এলাকার রায়হান উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে- এমন অভিযোগ পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার গোলাম কিবরিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর ভোরে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হানের মৃত্যু হয়। ওই দিন রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার। পরে দেশব্যাপী সমলোচনার মধ্যে ওই ফাঁড়ির ইনচার্জসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। মামলাটি এখন তদন্ত করছে পিবিআই।

ব্রেকিংনিউজ/টিটি/এমএইচ

bnbd-ads