সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক হত্যার চেষ্টা, পুলিশ নীরব!

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
১৭ মে ২০২০, রবিবার
প্রকাশিত: ০৯:২৯

সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিক হত্যার চেষ্টা, পুলিশ নীরব!

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে  অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘জাগো নিউজ’ ও ‘বাংলা টিভির’ সাংবাদিক জাহিদ খন্দকার ও স্থানীয় সাংবাদিক একরামুল হকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে । 

এসময় সাংবাদিকদের একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা ও বাংলাটিভির কাজে ব্যবহারিত একটি ভিডিও ক্যামেরা, মাইক্রো ফোন, টাকা ও ক্যামেরা রাখার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় এবং হত্যার চেষ্টা করে রেজাউল বাহিনী।

এ ঘটনায় সাঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও পুলিশ রহস্যজনক কারনে চুপচাপ রয়েছে। ফলে পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে সাংবাদিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শনিবার বিকেলে সাঘাটা উপজেলার মথর পাড়া দাখিল মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইমরানের ভাই রেজাউল করিমের দুই ছেলে রুবেল ও সজিব এবং মাদরাসাটির সুপার শহিদুল ইসলাম সাংবাদিককে দেখে পথরোধ করে চড়াও হয়। 

“মাদরাসার নিউজ করার সহস কইপাইছিস, তোর মতো সাংবাদিককে মেরে ফেললে কিচ্চু হবে না” এই বলেই মারতে শুরু করে এবং ক্যামেরাসহ বাংলাটিভির লোগো ও ক্যামেরার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। পরে সাংবাদিককে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরে তুলে রশি দিয়ে হাত পা বাঁধতে শুরু করে রেজাউল বাহিনী। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা পান ওই দুই সংবাদকর্মী।

সাংবাদিক জাহিদ খন্দকার বলেন, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি  জাগো নিউজ ২৪ ডটকমে গাইবান্ধার সাঘাটায় এমপিও ভুক্ত মথরপাড়া দাখিল মাদরাসার “৩৮ জন ছাত্র ১১ জন শিক্ষক” শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ফলে মাদরাসার সভাপতি ইমরান ও সুপার শহিদুল ইসলাম মাদরাসার কার্যক্রম নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতার মুখে পড়ে। এর জের ধরেই এই ঘটনা ঘটায় রেজাউল বাহিনী।

গাইবান্ধার পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক মানুষের মামলা করার অধিকার আছে। দ্রুত মামলা রেকর্ডভুক্ত করে আসামিদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বাস দেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

ব্রেকিংনিউজ/এমএইচ

bnbd-ads