ডিবিতে ইরফান, আরও ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৯ অক্টোবর ২০২০, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৬:২২ আপডেট: ০৬:২৩

ডিবিতে ইরফান, আরও ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন

ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের মেঝো ছেলে ইরফান সেলিম ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলার তদন্তভার গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) দেয়া হয়েছে। 

ধানমন্ডি থানায় দায়ের করা ওই মামলায় গতকাল বুধবার ইরফান, তার দেহরক্ষী জাহিদুল মোল্লার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। একই মামলায় গ্রেফতার আরেক আসামি হাজী সেলিমের প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দীপুকেও গেল মঙ্গলবার ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে মামলার তিন আসামিসহ মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের ধানমন্ডি জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার আব্দুল্লাহিল কাফি।

এদিকে র‌্যাবের দায়ের করা অস্ত্র ও মাদক আইনের মামলায়ও ইরফান ও জাহিদুলকে ৭ দিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চকবাজার থানার ওসি মওদুত হাওলাদার।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ইরফান ও জাহিদুলকে এসব মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ১৪ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গেল রবিবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ল্যাবএইডের সামনে নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট মো. ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধরের ঘটনায় পরদিন সোমবার ধানমন্ডি থানায় ইরফান ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। 

এরইমধ্যে মামলার আসামি হাজী সেলিমের প্রটোকল কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক দীপুকে গেল মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করলে তাকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠায় আদালত। 

ওইদিনই পুরান ঢাকার দেবি দাস লেনে হাজী সেলিমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ইরফান ও জাহিদুলকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। অভিযানে ইরফানের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল ও একটি এয়ারগান উদ্ধারের ঘটনায় অস্ত্র আইনে এবং কয়েক বোতল মদ পাওয়ায় মাদক আইনে চকবাজার থানায় মামলা করা হয়। 

অভিযানে ইরফানের সহযোগী জাহিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল উদ্ধারের অভিযোগে অস্ত্র আইনে ও ৪০৬ টি ইয়াবা উদ্ধারের অভিযোগে মাদক আইনে মামলা করা হয়।

অভিযানকালে সেলিমকে মদ্যপান ও ওয়াকিটকি ব্যবহারের অপরাধে দেড় বছর এবং জাহিদুলকে ওয়াকিটকির জন্য ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

সেলিমপুত্র ইরফান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজায় কারাগারে যাওয়ায় ইতোমধ্যে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads