ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা: একজনের ফাঁসি, অপরজনের যাবজ্জীবন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার
প্রকাশিত: ০২:৩৫ আপডেট: ০৩:২১

ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা: একজনের ফাঁসি, অপরজনের যাবজ্জীবন

রাজধানীর লালবাগে ব্যবসায়ী আবদুল আজিজ চাকলাদার হত্যা মামলায় একসময়ের ত্রাস খুলনার এরশাদ শিকদারের সহযোগী আসামি জয়নাল সরকারের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার অপর এক আসামির যাবজ্জীবন ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর দুজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। 

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ দণ্ড ও খালাসের রায় ঘোষণা করেন। 

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম মো. রুস্তুম আলী। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- ফারুক ও ইদ্রিস। দণ্ডিতরা পলাতক আছেন। 

অন্যদিকে খালাস পাওয়া ফারুক ও ইদ্রিস গত ২৩ বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন। এ মামলায় তারা খালাস পেলেও অন্য মামলায় দণ্ডিত আছেন বলে জানা গেছে। খালাসপ্রাপ্তদের পক্ষে আদালতে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আমিনুল গণি টিটো। 

মামলার অপর দুই আসামি লস্কর মো. লিয়াকত বিচার চালকারে মারা যাওয়ায় অব্যাহতি পেয়েছেন। আর এরশাদ শিকদারের দেহরক্ষী নূরে আলম মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ায় তিনিও অব্যাহতি পেয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জয়নাল ও রুস্তুম আলী পলাতক আছেন। 

খুলনার জলিল টাওয়ার মালিকের ম্যানেজার খালিদ হত্যা মামলায় ২০০৪ সালের ১০ এপ্রিল মধ্যরাতে খুলনা জেলা কারাগারে এরশাদ শিকদারের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তাই ব্যবসায়ী আবদুল আজিজ চাকলাদার হত্যা মামলায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৯৮ সালের ৫ মার্চ সকাল ৭টায় আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ লালবাগ রোডের বাসা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে তাকে অপহরণ করে হত্যা করেন আসামিরা। পরে তার লাশ রূপসা নদীতে ফেলে দেয়া হয়। 

এ ঘটনায় ভাইকে খুঁজে না পেয়ে লালবাগ থানায় জিডি করেন আজিজ চাকলাদারের ছোটভাই বাচ্চু মিয়া। এর ১২ দিন  পর মাকসুদ ও আমানুল্লাহর বিরদ্ধে একই থানায় অপহরণ মামলা করেন বাচ্চু মিয়া। 

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২০০০ সালের ৪ এপ্রিল লালবাগ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রাকিব খান ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে আদালতে চার্জ গঠনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিচারকাজ। 

চার্জশিটভুক্ত ৭ আসামি হলেন- খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, লস্কর মো. লিয়াকত, মো. নূরে আলম, ইদ্রিস জামাই, জয়নাল, জামাই ফারুক ও মো. রুস্তুম আলী। 

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads