বড়পুকুরিয়া মামলা: খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি ১৭ নভেম্বর

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৩:১৫ আপডেট: ০৪:১৬

বড়পুকুরিয়া মামলা: খালেদা জিয়ার চার্জ শুনানি ১৭ নভেম্বর

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মামলায় চার্জ গঠন শুনানি ফের পিছিয়ে আগামী ১৭ নভেম্বর পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন আদালত।  

বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর) কেরানীগঞ্জ কারাগারে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক রুহুল আমিন আসামিপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন। 

এর আগে গেল ২০ আগস্ট মামলাটির চার্জ গঠন শুনানি পিছিয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। কিন্তু আজও বেগম জিয়া শারীরিকভাবে সুস্থ না থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। ফলে তাঁর পক্ষে সময় আবেদন করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ১৭ নভেম্বর পরবর্তী দিন ঠিক করেন। 

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন- এয়ার ভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাবেক কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার, সাবেক জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এসআর ওসমানী, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ঠিকাদার সুজু কোল মাইনিং গ্রুপ কনসোটিয়ামের পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম এবং সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ব্যারিস্টার মো. আমিনুল হক।

আলোচিত এ মামলার মোট আসামির সংখ্যা ছিল ১৬ জন। তবে এরইমধ্যে যুদ্ধাপরাধের অপরাধে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। আর ব্যারিস্টার আমিনুল হক, বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান ভূইয়া, সাইফুর রহমান, এমকে আনোয়ার ও এম শামসুল ইসলাম মারা যাওয়ায় আসামির সংখ্যা কমে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। 

সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা ক্ষতি সাধনের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় খালেদা জিয়াসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর পুলিশ তদন্ত করে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads