শাহেদ বলছেন- ‘আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ’, রাষ্ট্রপক্ষ চাইলো যাবজ্জীবন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৩:০১ আপডেট: ০৩:০৪

শাহেদ বলছেন- ‘আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ’, রাষ্ট্রপক্ষ চাইলো যাবজ্জীবন

অস্ত্র মামলায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. শাহেদ করিম আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের দাবি করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে এ দাবি করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু। 

এদিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে শাহেদের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। শাহেদের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ না হওয়ায় আদালত আগামী রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) পরবর্তী দিন ধার্য করেন। 

এর আগে গতকাল বুধবার একই আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে ‘সম্পূর্ণ নির্দোষ’ দাবি করে ন্যায়বিচার চান শাহেদ করিম। 

তিনি বলেন, ‘আমার কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়নি। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমি আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চাই।’

বিচারক তাকে সাফাই সাক্ষী দেবেন কিনা- এমন প্রশ্নে শাহেদ করিম বলেন, ‘না, আমি সাফাই সাক্ষী দেবো না।’

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুলের সাক্ষগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন আদালত। এ মামলায় মোট ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে তিন ধাপে ১১ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত। 

একই আদালতে গেল ১৩ সেপ্টেম্বর ৫ জন ও পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর আরও ৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। 

গত ২৭ আগস্ট অস্ত্র মামলায় শাহেদের বিরুদ্ধে একই আদালতে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচারকাজ শুরু হয়।

গত ৩০ জুলাই ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় শাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের মামলায় চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. শায়রুল। 

করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট জালিয়াতি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে গত ৭ জুলাই শাহেদসহ ১৭ জনকে আসামি করে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়। শুরুতে মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে দেয়া হলেও পরে তা র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। শাহেদকেও হস্তান্তর করা হয় র‌্যাবে।

গত ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। 

শাহেদের বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে অর্ধশতাধিক মামলা রয়েছে। এরমধ্যে বেশিরভাগই প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা।

ব্রেকিংনিউজ/এমআর

bnbd-ads