আলোচনা করেই বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে: আদালত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৪ জুন ২০২০, বৃহস্পতিবার
প্রকাশিত: ০৪:২৮ আপডেট: ০৪:৩৬

আলোচনা করেই বাস ভাড়া বাড়ানো হয়েছে: আদালত

গণপরিবহনে শতকরা ৬০ ভাগ বাসভাড়া বাড়িয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জ করে দাখিল করা রিট আবেদন হাইকোর্টের কার্যতালিকা (কজ লিস্ট) থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেই যৌক্তিকভাবে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে-রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এমন তথ্য জানানোর পর আদালত রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিচারপতি জেবিএম হাসানের নেতৃত্বাধীন ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

এর আগে গত ১ জুন গণপরিবহনে ৬০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব।

রিটের আবেদনে বলা হয়, গণপরিবহনে দেশের সাধারণ মানুষেরা যাতায়াত করে। যাদের প্রাইভেট গাড়ি নেই। নিম্ন ও মধ্যবিত্তের মানুষেরা গণপরিবহনে যাতায়াত করে। তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি যুক্তিযুক্ত হয়নি।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৩১ মে করোনা পরিস্থিতিতে গণপরিবহনের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ৮০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও তা কমিয়ে পরে ৬০ শতাংশ করে মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, দূরপাল্লার পথে এখন ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৪২ পয়সা। এর সঙ্গে যুক্ত হবে বর্ধিত ৬০ শতাংশ। এ ছাড়া দূরপাল্লার পথে থাকা সড়ক ও সেতুর টোলও মোট ভাড়ার সঙ্গে যুক্ত হবে।

ঢাকা ও এর আশপাশে মিনিবাসের কিলোমিটার-প্রতি ভাড়া হার ১ টাকা ৬০ পয়সা। আর বড় বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা। মিনিবাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকা এবং বড় বাসে ৭ টাকা।

এই ভাড়া হার করোনাকালের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনঃপ্রযোজ্য হবে।

ব্রেকিংনিউজ/এমএইচ

bnbd-ads