এইচআইভি, ডেঙ্গুর মতো করোনারও ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে না!

স্বাস্থ্য ডেস্ক
৪ মে ২০২০, সোমবার
প্রকাশিত: ০৪:৫৬

এইচআইভি, ডেঙ্গুর মতো করোনারও ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে না!

১০২ টি আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে মারণ করোনার সঙ্গে লড়াই করতে তারমধ্যে ৮ টি ভ্যাকসিন মানবদেহের ওপর প্রয়োগ শুরু হয়েছে ৷ 

তবে বিজ্ঞানীদের মধ্যে একটা গভীর সন্দেহ তৈরি হয়েছে আদৌ কি কোভিড ১৯ -র ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে৷ কারণ কোভিড ১০ -র কোনও ভ্যাকসিন নেই৷ বছরের পর বছর ধরে রিসার্চ করেও ডেঙ্গু ও এইচআইভি-র কোনও ভ্যাকসিন নেই৷ 

সিএনএন-র সূত্র অনুযায়ী সবচেয়ে চরম খারাপ উপায় হিসেবে এটিও একটি সম্ভবনা যেখানে এই মারণ করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে কখনই কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে না ৷ 

সারা পৃথিবী চার দশক ধরে ৩ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ এইডসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন৷ যার এত বছরের রিসার্চের পর কোনও ভ্যাকসিন নেই৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী বিশ্বে প্রতি বছর ৪ লক্ষ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন৷ 

কিছু দেশে Dengvaxia নামের ভ্যাকসিন পাওয়া যায় ৷ সেই দেশগুলিতে ৯ বছর থেকে ৪৫ বছরের মানুষরা এই ভ্যাকসিন পেয়ে থাকেন৷ তবে এই ভ্যাকসিন তাদেরই কাজ করে যাদের অন্তত একবার ডেঙ্গু হয়েছে৷

সারা পৃথিবীতে একাধিক রোগের কোনও ভ্যাকসিন নেই৷ ইম্পিরিয়াল কলেজের চিকিৎসক ডক্টর ডেভিড ন্যাবারোর মতে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হবে এই আশায় থাকলেও সত্যিটাকে অগ্রাহ্য করা যাবে না৷ আর যেটা আবিষ্কার হবে সেটা সফল ট্রায়াল মান পাস করতেই হবে তবেই হবে মানবদেহে প্রয়োগ। 

National Institute of Allergy and Infectious Diseases-র ডক্টর অ্যান্থনি ফাউসির মতে ভ্যাকসিন তৈরি হতে অন্তত ১২ থেকে ১৮ মাস সময় লাগবে ৷ National School of Tropical Medicine at Baylor College of Medicine in Houston -র ডিন ডক্টর পিটার হোটেজও একই কথা বলেছেন ৷

বিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের মতে এই করোনা ভাইরাস বহুদিন মানুষের সঙ্গে থাকতে এসেছে৷ ফলে লকডাউন করে অর্থনীতির ক্ষতি হওয়া ছাড়া আর কোনও কাজই হওয়া সম্ভব নয়৷ এই মারণ ভাইরাস যেহেতু আরএনএ তাই প্রতি মুহূর্তে মিউটেশন করছে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখার জন্য৷ 

আর সেই জন্যেই বিজ্ঞানীদেরও প্রতিমুহূর্তে রিসার্চের ধারা বদলাতে হচ্ছে ৷

ব্রেকিংনিউজ/অমৃ

bnbd-ads