সিকিম খুললেও শর্তে আপত্তি পর্যটকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার
প্রকাশিত: ০১:০১

সিকিম খুললেও শর্তে আপত্তি পর্যটকদের

ভারতরে পাহাড়বেষ্টিত অন্যতম পর্যটন স্পট সিকিম রাজ্য। অক্টোবর থেকেই সেখানকার পর্যটন ধাপে ধাপে চালুর ইঙ্গিত দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনীয় সতর্কতা বিধি মেনে সেই প্রক্রিয়া শুরুর জন্য খসড়া নীতিও তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেই নীতি নিয়েই প্রবল সংশয় ও আপত্তি তৈরি হয়েছে পর্যটন শিল্পের একাংশের মধ্যে। 

তাদের বক্তব্য, ওই খসড়ায় যেসব শর্তের প্রস্তাব করা হয়েছে, তাতে সিকিমের বাইরের, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন সংস্থাগুলোকে সমস্যায় পড়তে হবে। বিশেষ করে ব্যবসা হারানোর আশঙ্কা থাকছে পরিবহন ব্যবসায় যুক্ত উত্তরবঙ্গের পর্যটন সংস্থাগুলোর। 

এসব কারণে ওই নীতি কার্যকরের আগে তা পুনর্বিবেচনার জন্য সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিংহ তামাংয়ের কাছে আর্জি জানিয়েছে পর্যটন শিল্পের দুই জাতীয় সংগঠন আয়াটো ও এডিটিওআই। 

লকডাউনের জন্য সিকিমে বাইরে থেকে পর্যটক যাওয়া আপাতত বন্ধ। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অঞ্চলটির অর্থনীতি এবং সেখানকার মানুষের জীবিকাও। কারণ ওই রাজ্যের কর্মসংস্থানের ১৫ শতাংশই পর্যটন খাতের। তাই উপযুক্ত সতর্কতা বিধি মেনে অক্টোবর থেকে সীমিতভাবেই পর্যটকদের জন্য দরজা খুলতে চায় তারা। 
কিন্তু আয়াটোর প্রেসিডেন্ট প্রণব সরকার ও এডিটিওআইয়ের প্রেসিডেন্ট পি পি খান্নার বক্তব্য, খসড়া নীতিতে দৈনিক ২ হাজার ৫০০ ঘর বা ৫ হাজার জনের ভাড়ার যে শর্ত রয়েছে, তাতে পর্যটকদের একাংশকে হয়রানির মুখে পড়তে হতে পারে। কেন্দ্রীয়ভাবে এই তথ্য মেনে চলাও সহজ নয়।

খসড়া নীতিতে অবশ্য গোটা বিষয়টির নজরদারির কথা বলা হয়েছে। এছাড়া অন্য রাজ্যের গাড়ি সিকিমে প্রবেশেও আপাতত নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব রয়েছে সেখানে। ওই দুই পর্যটন সংগঠনের পশ্চিমবঙ্গের চেয়ারম্যান দেবজিৎ দত্ত জানান, আগে বাইরের গাড়িতে করে সিকিমে পর্যটক নামানো বা ফিরিয়ে আনা যেত। 

তিনি আরও জানান, কিন্তু তা নিষিদ্ধ করা হলে এ রাজ্যের পর্যটন শিল্পের ব্যবসা মার খাবে। অথচ সিকিমে পর্যটনের সিংহভাগ উৎসই হলো এ রাজ্যের পর্যটন সংস্থাগুলো। সবকিছু খতিয়ে দেখে তাই খসড়া নীতি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়েছেন তারা।

ব্রেকিংনিউজ/এম

bnbd-ads