উন্মুক্ত জায়গায় ঈদের জামাত নয়: সিএমপি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
২৩ মে ২০২০, শনিবার
প্রকাশিত: ০৬:২৮

উন্মুক্ত জায়গায় ঈদের জামাত নয়: সিএমপি

প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে আসন্ন পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজের জামায়াত ঈদগাহ বা উম্মুক্ত স্থানেরপরিবর্তে মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াতের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে সিএমপি।

শনিবার (২৩ মে) সিএমপির পক্ষ থেকে নগরবাসির প্রতি এই অনুরোধ জানানো হয়।

সিএমপি সূত্র জানায়, নামাজের জামায়াতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবানুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। মুসল্লীরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জীবানুমুক্ত করে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে ওযুর স্থানে সাবান বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। মসজিদের প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান-পানি রাখতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওযু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক এবং নিজস্ব টুপি পরে মসজিদে আসতে হবে।

মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে। এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে। শিশু, বায়োবৃদ্ধ বা যে কোন অসুস্থ্য ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি ঈদের নামাজের জামায়াতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত কল্পে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরষ্পর হাত মেলানো যাবে না।

এছাড়া সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা সংক্রান্তে মসজিদে ঈদের নামাজের জামায়াত আদায়ের ক্ষেত্রে যাবতীয় সহযোগিতার জন্য নিকটস্থ থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে অথবা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন  পুলিশের হটলাইন মোবাইল নম্বরে(০১৪০০-৪০০৪০০, ০১৮ ৮০ ৮০ ৮০) যোগাযোগ করা যাবে।

সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক প্রতিবছরই আমরা ঈদের নামাজের জামায়াত ঈদগাহ বা উন্মুক্ত ময়দানে পালন করে আসছি। এবার একটা কঠিন সময়ে আমরা ঈদ-উল-ফিতর পেয়েছি। তাই  আমাদের সকলের স্বার্থে  করোনাভাইরাস মহামারী প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকারি নির্দেশনাসমূহ মেনে মসজিদে পবিত্র ঈদ উল ফিতরের নামাজের জামায়াত আদায় করবো।

তিনি বলেন, নির্দেশনা সমূহ লংঘন করলে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দায়ে লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ব্রেকিংনিউজ/এমএইচ

bnbd-ads