রাজধানীতে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে 'রেড', 'ইয়েলো' ও 'গ্রিন' জোনে ভাগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ জুন ২০২০, শনিবার
প্রকাশিত: ০৫:৫৪ আপডেট: ০৮:২৮

রাজধানীতে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে 'রেড', 'ইয়েলো' ও 'গ্রিন' জোনে ভাগ

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঢাকাসহ সারা দেশকে 'রেড', 'ইয়েলো' ও 'গ্রিন জোনে' ভাগ করে এ বিষয়ে কর্মপন্থা গ্রহণের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল রবিবার (৭ জুন) থেকে পরীক্ষামূলকভাবে বেশি করোনা আক্রান্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকাকে রেড জোন ঘোষণা করে তা লকডাউন করে দেয়া হবে।

করোনা মোকাবিলায় আগামী বুধ বা বৃহস্পতিবার থেকে জোনিং ব্যবস্থা পুরোদমে বাস্তবায়ন করবে সরকার। এজন্য একটি অ্যাপও তৈরি করা হয়েছে। 

শনিবার (৬ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সব তথ্য জানা গেছে।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ক্রম অবনতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ১ জুন সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় বসেন।

ওই সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা সংক্রমণের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার কথা জানান।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে- বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়েলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়েলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপ নেয়া হবে। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ও করোনা সংক্রান্ত মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মো. হাবিবুর রহমান খান বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকা রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার জন্য অ্যাপ করা হয়েছে। আগামীকাল (রোববার) নাগাদ ঢাকা শহরের একাধিক জায়গার রেড জোনে লকডাউনের মাধ্যমে পাইলটিং শুরু হবে। আর প্রত্যাশা করছি, সারা দেশে আগামী বুধবারের মধ্যে জোনিং করে কাজ শুরু করা হবে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, অ্যাপের মাধ্যমে চিহ্নিত করা থাকবে কোন এলাকা রেড জোন, কোন এলাকা ইয়েলো জোন এবং কোনটি গ্রিন জোন। আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে গেলে, রোড জোন পর্যায়ক্রমে ইয়েলো ও গ্রিন হবে। প্রযুক্তিগত সহায়তার কাজটি করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও এটুআই। 

আর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআর (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান) তথ্য সরবরাহ করবে।

ব্রেকিংনিউজ/টিটি/এসএ

bnbd-ads