হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

শিল্প-সাহিত্য ডেস্ক
১৯ জুলাই ২০২০, রবিবার
প্রকাশিত: ০১:৫৫

হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ (১৯ জুলাই) নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান বহুপ্রতিভার অধিকারী এই মানুষটি।

মৃত্যুর পর তাকে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী গ্রামে নুহাশপল্লীতে সমাহিত করা হয়। প্রতি বছরই নানা আয়োজনে পালিত হয় হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী। করোনাভাইরাসের কারণে এবার স্বল্প পরিসরে পালিত হবে দিনটি।

১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন জনপ্রিয় কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ। বাবা ফয়জুর রহমান আহমেদ ও মা আয়েশা ফয়েজের প্রথম সন্তান তিনি। স্কুলজীবনে হুমায়ূন আহমেদকে বাবার চাকরিস্থল কুমিল্লা, সিলেট, বগুড়া, পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন জেলায় বাস করতে হয়। তিনি ১৯৬৭ সালে বগুড়া জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা (রাজশাহী বিভাগে মেধাতালিকায় দ্বিতীয়), ১৯৬৯ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

ছাত্রজীবনেই তার লেখালেখি শুরু। ১৯৭২ সালে তার প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ প্রকাশ পায়। তখন তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় উপন্যাস ‘শঙ্খনীল কারাগার’। এই দুটি বই প্রকাশের পর হুমায়ূন আহমেদ একজন শক্তিশালী কথাশিল্পী হিসেবে পাঠকমহলে সমাদৃত হন। সেই থেকে জীবিতকালে তার দুই শতাধিক বই প্রকাশিত হয়। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক তিনি লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

হুমায়ূন আহমেদ শিক্ষকতায় ছিলেন দীর্ঘদিন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। লেখালেখিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে শিক্ষকতা থেকে তিনি অবসর নেন।

নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবেও সমাদৃত ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। বাংলা উপন্যাসে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পদক ও হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৯৪ সালে দেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

ব্রেকিংনিউজ/এমজি

bnbd-ads